সম্প্রীতি কামনায় একসাথে ২০ হাজার মানুষের প্রার্থনা

চলমান রোহিঙ্গা সংকটের মধ্যেই দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বাড়াতে উদ্যোগী হয়েছে মিয়ানমার। দেশটিতে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান-মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের নিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শক্তিশালী করার আহ্বানকে সামনে রেখে সরকারিভাবে কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

এক ধর্মের মানুষের প্রতি অন্য ধর্মের মানুষের শত্রুতা ও অবিশ্বাস দূর করতে মিয়ানমারের বৃহত্তম শহর ইয়াঙ্গুনে মঙ্গলবার রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চির উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নিয়েছেন ভিন্ন ধর্মের ২০ হাজার মানুষ। তাঁরা ইয়াঙ্গুনের এক ফুটবল স্টেডিয়ামে মোমবাতি প্রজ্বলন এবং প্রার্থনায় অংশ নেন। ওই কর্মসূচিতে হাত মেলান মুসলিম নেতা ও বৌদ্ধ ভিক্ষু।

বক্তব্য রাখছেন ইয়াঙ্গনের প্রধান বৌদ্ধ ভিক্ষু ইধিবালা

স্টেডিয়াম ভর্তি মানুষের উপস্থিতিতে বৌদ্ধ-মুসলিম-হিন্দু-খ্রিষ্টান প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে উপস্থিত সবাই সাম্প্রদায়িকতার অভিশাপ থেকে দেশকে মুক্ত করে একে অপরের প্রতি বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর শপথ নেন।

বক্তব্য রাখছেন মুসলিম ধর্মের নেতা হাফিজ মুফতি আলী

ইয়াঙ্গুনের বৌদ্ধদের প্রধান ভিক্ষু ইদ্ধিবালা সকলকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “একে অপরকে হত্যার পথ থেকে ফিরে আসুন, একে অপরকে নিপীড়নের পথ পরিহার করুন, একে অপরকে ধ্বংস করার পথ ত্যাগ করুন।” বক্তব্য শেষে তিনি মুসলিম নেতা মুফতি হাফিজ আলীর সাথে করমর্দন করেন।

প্রার্থনা সভায় মোনাজাত করছেন এক মুসলিম নারী

দেশের সব মানুষের জীবন, শিক্ষা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের একান্ত দায়িত্ব বলে মনে করেন মুফতি হাফিজ। উপস্থিত জনতার উদ্দেশে তিনি বলেন, “দেশের জন্য সবার ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা উচিত।”

সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!