রাঙ্গুনিয়ায় ইছামতির ভাঙনে ঝুঁকিতে বৌদ্ধ বিহার ও শ্মশান

রাঙ্গুনিয়ায় ইছামতি নদীর ভাঙনে পৌরসভার ইছামতি ধাতুচৈত্য বিহার, ধর্মানন্দ বৌদ্ধ অনাথালয় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বৌদ্ধ অনাথালয়সহ ছয়টি প্রতিষ্ঠান ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এছাড়া ভাঙনের কবলে পড়েছে এলাকার একমাত্র বড় বৌদ্ধ শ্মশান। টানা ভারি বর্ষণের কারণে ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে বলে জানান স্থানীয়রা।

দৈনিক যুগান্তেরের এক প্রতিবেদনে বিহারের অধ্যক্ষ সুমঙ্গল মহাস্থবির ও গ্রামবাসী জানিয়েছে, শত বছরের প্রাচীন এই বৌদ্ধ বিহারটিতে গ্রামের পুণার্থীরা ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করেন। এই বিহারে রয়েছে পালি কলেজে, বৌদ্ধ অনাথালয়, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মহাশ্মশান বিদর্শন ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, পালি সংস্কৃত পরীক্ষা কেন্দ্র। এ বছর টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ইছামতি নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বিহার ছাড়াও এসব প্রতিষ্ঠান ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে নদীর দুই পাশের বৌদ্ধ মহাশ্মশান। এলাকার একমাত্র শ্মশানটি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে মৃত ব্যক্তির দাহ করতে অসুবিধায় পড়তে হবে। বিহারাধ্যক্ষ ও গ্রামবাসী  ভাঙন প্রতিরোধে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।

এসর্ম্পকে পৌরসভার ইছামতি ওয়ার্ড কাউন্সিলর লোকমান তালুকদারও এই এলাকার  বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ভাঙন প্রতিরোধে ব্লক বসানো গুরুত্বের কথা বলে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাসের কথা জানিয়েছেন।

এদিকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন তাৎক্ষণিকভাবে বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন প্রতিরোধ করার কথা বলে  ভাঙন প্রতিরোধে প্রকল্প গ্রহণের পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্ব ইঙ্গিত করেন ।

সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!