বুদ্ধ গয়া মন্দিরে বোমা বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা কিশোর দোষী সাব্যস্ত

ভারতের বিহার রাজ্যে বৌদ্ধদের পবিত্র তীর্থস্থান বুদ্ধ গয়া মন্দির চত্বরে গত ২০১৩ সালের জুলাই মাসে বোমা বিস্ফোরণের জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছে এক রোহিঙ্গা কিশোর।

জার্মান ভিত্তিক গণমাধ্যম সংস্থা ডয়চে ভেলে ২৫ নভেম্বর ২০১৭ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে অন্যতম হায়দার আলী তদন্তকারীদের জেরায় স্বীকার করেছে, সে এবং এক কিশোরসহ আরও তিন জন রাঁচি থেকে এসেছিল ১৩টি বোমা নিয়ে। মুজিবুল্লা ও ইমতিয়াজ গয়ার বৌদ্ধ বিহারে নেমে যায়। তাদের বলা হয়েছিল, ৮০ ফুট উঁচু গৌতম বুদ্ধের মূর্তির নীচে বোমা রাখতে।

মহাবোধী মন্দির চত্বরে ঢোকার আগে তারা পোশাক পালটে বৌদ্ধ ভিক্ষুর পোশাক পরে ভেতরে ঢোকে। প্রথম বোমাটি রাখে অনিমেষ চৈত্য মন্দিরে। দ্বিতীয় বোমাটি মহাবোধি বৃক্ষের নীচে, যেখানে গৌতম বুদ্ধ মোক্ষ বা বুদ্ধত্ব লাভ করেছিলেন। তৃতীয়টি একটি অ্যাম্বুলেন্সের তলায় এবং চতুর্থটি রাখা হয় চত্বরের আরেকটি ছোট মন্দিরে। বোমাগুলিতে টাইমার দেওয়া ছিল, ভোর ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ফাটে। কারণ, ঐ সময়েই বৌদ্ধ ভক্ত এবং স্থানীয় পূণ্যার্থীদের ভীড় হয় সবথেকে বেশি।

বুদ্ধ গয়া মন্দির চত্বরেউপর্যুপরি বিস্ফোরণের জন্য মোট ১৩টি বোমা রাখা হয়। ৭ জুলা্ই ২০১৩ রবিবার সকাল সকাল সাড়ে পাঁচটা থেকে ছয়টার মধ্যে ধারাবাহিক বোমা বিস্ফোরণে মহাবোধী মন্দির চত্বরের দুই জন শ্রমণ আহত হন। তিনটি অ-বিস্ফোরিত বোমা উদ্ধার করা হয়।

তদন্ত রিপোর্টে সূত্রে ডয়চে ভেলে রিপোর্ট এ আরো বলা হয়, ঐ ঘটনার তিন মাস পরে পাটনার গান্ধী ময়দানে এক জনসভায় সিরিয়াল বোমা বিস্ফোরমের ষড়যন্ত্রের সঙ্গেও জড়িত ছিল রোহিঙ্গা যুবকদের ঐ দলটি। ঐ নির্বাচনি সভায় ভাষণ দেবার কথা ছিল বিজেপি জোটের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী এবং সে সময়ে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং অন্যান্য বিজেপি নেতাদের। ঐ বিস্ফোরণে মারা যায় ৭ ব্যক্তি এবং জখম হয় ৮৯ জন।

সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!