বুদ্ধের ধর্ম সাপের ন্যায়, অতএব সাবধান হোন

লিখেছেন- উজ্জ্বল বড়ুয়া বাসুঃ শিরোনাম দেখে কারো কারো মনে হতে পারে কাউকে ভয় দেখানোর জন্যই বুঝি এই লেখা। না কাউকে ভয় দেখানোর জন্য নয় বরং মঙ্গলার্থে সতর্ক হওয়ার জন্যই এই লেখা। বর্তমান সময়ে দেখা যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বুদ্ধবাণীকে নিয়ে যা খুশি তা-ই লিখা হচ্ছে। বিকৃত করা হচ্ছে বুদ্ধের প্রকৃত শিক্ষাকে। অবশ্য এই বিকৃতির সূচনা হয়েছে বহুপূর্বে বলা যায়। তথাগত বুদ্ধ যখন তৎকালীন সময়ের বর্ণবৈষম্য বন্ধ করে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ দূর করেছিলেন তখন অসংখ্য নিপীড়িত নির্যাতিত মানুষ দলে দলে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। বুদ্ধের কাছে ছুটে এসেছিলেন সুশীতল ছায়া পাওয়ার প্রত্যাশায়। সে সময় অনেক ব্রাহ্মণকেও বুদ্ধের অনুসারী হয়ে উঠতে দেখা যায়। কিন্তু সকল ব্রাহ্মণ যে বুদ্ধের ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন তা নয়। কেউ কেউ গণহারে হিন্দুদের বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করতে দেখে বুদ্ধকে তাদের অবতার বলে ঘোষণা করেন। আর বলতে শুরু করেন, বুদ্ধ তো আমাদেরই অবতার। অতএব, আলাদা করে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণের কি বা প্রয়োজন। কতিপয় ব্রাহ্মণদের এই কূটবুদ্ধি বুঝতে না পেরে অনেকে তখন থেমে যায় বুদ্ধকে নিজেদের মতো করে পেয়ে। তারা ব্দ্ধুকে বুদ্ধদেব বলে প্রচার করতে শুরু করে।

পরবর্তীতে বিভিন্ন বই লিখে তারা প্রচার করা শুরু করে বৌদ্ধধর্ম আলাদা কিছু নয় বরং হিন্দু ধর্মেরই অংশ মাত্র। অর্থাৎ হিন্দু ধর্ম থেকে ধার করে বৌদ্ধ ধর্মের উৎপত্তি। শুধু তাই নয় তারা বৌদ্ধ ধর্মীয় বিভিন্ন বই পড়ে সেগুলোও বিকৃতি করা শুরু করে। এরকম একটি বই হচ্ছে ধর্মানন্দ কোসম্বী লিখিত ‘ভগবান বুদ্ধ’। এই বইটিতে দেখা যায় ত্রিপিটকের বিভিন্ন অংশকে বিকৃত করা হয়েছে। এমনকি গৌতম বুদ্ধের জীবনীকেও বিভ্রান্তিতে ফেলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে আমরা গৌতম বুদ্ধের যে জীবনী জানি তা গৌতম বুদ্ধের জীবনী নয় বরং এটি বিপস্সী বুদ্ধের জীবনী। এটি প্রমাণ করতে গিয়ে কয়েকটি সূত্রের রেফারেন্স দেওয়া হয়েছে যেখানে তারা নিজেদের মতো করে কাহিনী গুলো বর্ণনা করেছে। যা ত্রিপিটকে নাই তাও তারা যুক্ত করেছে, সাধারণ পাঠক যেন তা বিশ্বাস করে। এসবের উদ্দেশ্য একটাই বুদ্ধ কিংবা বুদ্ধের ধর্মকে বিতর্কিত করে তোলা। এতে লাভ তো তাদেরই। তাদের নিজেদের ধর্মাবলম্বীদের ধর্মান্তর থেকে রোধ করা যাবে। কারণ বর্তমান সময়ে দেখা যায় লাখ লাখ দলিত হিন্দুদের বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করতে।

বর্তমান সময়ে কতিপয় বৌদ্ধ নামধারী মুক্তমনা যোগ হয়েছে তাদের সাথে। তারা ধর্মানন্দ কৌসম্বীর সেই বই থেকে কিছু লাইন তুলে দিয়ে সাধারণ বৌদ্ধদের বিভ্রান্তিতে ফেলে। কারণ সবাই তো আর পুর্ণাঙ্গ ত্রিপিটক পড়ে নি। পড়ার সুযোগও ছিল না। কারণ পুর্ণাঙ্গ ত্রিপিটক বাংলায় অনুবাদ গত বছর শেষ হয়েছে মাত্র। আর তাই সাধারণ বৌদ্ধরা তাদের যুক্তি দেখে নিরব থাকে। এমতাবস্থায় কেউ কেউ যখন ত্রিপিটক থেকে রেফারেন্স দিয়ে তাদের দেওয়া যুক্তিগুলো ভ্রান্ত প্রমাণ করে তখন ঐসব মুক্তমনারা ত্রিপিটকের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তারা বলে ত্রিপিটকের সব কথা বুদ্ধের বলা নয়। সেই যুক্তিকে প্রমাণ করতে গিয়ে তারা উল্লেখ করেন ত্রিপিটক লিখিত হয়েছে বুদ্ধের মহাপরিনির্বাণের অনেক পরে। আর তাই সেখানে ভিক্ষুরা মনগড়া কথা যোগ করেছে, নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার জন্য।

আপাতদৃষ্টিতে অনেকের কথাগুলো সত্যই মনে হবে। কারণ আসলেই তো ত্রিপিটক লিখিত হয়েছে অনেক পরে। আর তাই তাদের যুক্তি আপনার মনকে দ্বিধায় ফেলে দেবে আর স্বভাবতই আপনি সেই কথাগুলো বিশ্বাস করে ফেলতে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা কি আপনার জানতে হবে, ইতিহাস জানতে হবে।

ইতিহাস বলে প্রথম সংগীতিতে ৫০০জন সবাই অর্হৎ ছিলেন। আনন্দ ভান্তে পর্যন্ত অর্হত্ত্বফল লাভ করেই সংগীতিতে অংশগ্রহণের যোগ্য হয়েছিলেন। প্রথম সংগীতিতে যা সংগৃহীত হয়েছিল পরবর্তীতে সেসবই রক্ষিত হয় পরম্পরায়। এখানে প্রশ্ন তুলে তারা বলবে পরম্পরায় রক্ষা করতে গিয়ে পরিবর্তিত হয়েছে। কিন্তু আপনার চিন্তা করতে হবে পরম্পরা বলতে ওখানে কারা ছিলেন। যারা রক্ষা করেছিলেন তাদের মধ্যেও অনেক অর্হৎ ভান্তে ছিলেন। দ্বিতীয় সংগীতির ইতিহাস দেখুন দেখবেন ওখানে সাতশত জন প্রতিসম্ভিদাপ্রাপ্ত অর্হৎ অংশগ্রহণ করেছিলেন।

তৃতীয় সংগীতিতে দেখুন সেখানেও পাবেন সংঘের নায়ক ছিলেন মোগ্গলিপুত্র তিষ্য ভান্তে যিনি প্রতিসম্ভিদাপ্রাপ্ত অর্হৎ ছিলেন। মূলত তখন থেকেই ত্রিপিটক লিপিবদ্ধ করে রাখা শুরু হয়। বাকী সংগীতি গুলোতে খুব বেশী পরিবর্তন হয় নি। আর তা-ই চলে আসছে পরম্পরায়। এখন নিজেকে প্রশ্ন করুন অর্হৎ ভান্তেরা কি ত্রিপিটক বিকৃত করেছিলেন? ত্রিপিটকে বুদ্ধ বলেন নাই এমন কিছু যুক্ত করেছিলেন? কিংবা অন্যের উপর কর্তৃত্ব ফলানোর জন্য মনগড়া বিষয় যুক্ত করেছিলেন? অর্হৎ এর কি মান, দ্বেষ থাকে?

এখানে স্পষ্ট হয় ত্রিপিটকের উৎপত্তি কিংবা ত্রিপিটক কিভাবে লিখিত হয়েছিল তা। মহাযানীরা নিজেদের মতো করে আলাদা কিছু গ্রন্থ তৈরী করেছেন, কিছু বিকৃতি সেসব গ্রন্থে যোগ করেছেন কিন্তু সেসব গ্রন্থকে আমরা ত্রিপিটকের অংশ বলে গ্রহণ করি না। এখন এই অংশে সেসব মুক্তমনারা পরাস্ত হয়ে তারা বুদ্ধ দেশিত কালাম সূত্রকে কাজে লাগায়। কারণ কালাম সূত্র আমাদের গ্রহণ/বর্জনের স্বাধীনতা দেয়। তারা কথায় কথায় সেই কালাম সুত্রের আশ্রয় নেয়। তাদের মত হচ্ছে ত্রিপিটকে থাকলেও তাদের মন যেহেতু তাতে সম্মতি দিচ্ছে না তাই তারা তা গ্রহণ করতে সম্মত নন।

প্রিয় পাঠক, মহাকারুণিক বুদ্ধ কালাম সূত্রের মাধ্যমে আমাদের বিবেচনা করে গ্রহণ করতে বলেছেন। কোনো কিছু মিথ্যা হলেও সেটাকে সত্য বলে আকঁড়ে ধরে থাকতে বলে নি। বিবেচনার স্বাধীনতা দেওয়া মানে এই নয় যেটি অবিবেচনাপ্রসূত সেটাকেও সত্য বলে গ্রহণ করা। উদাহরণস্বরুপ- একজন মদ্যপায়ী মদ পানের স্বপক্ষে অনেক যুক্তি দেখাতে পারে। সে বলতে পারে এক গ্লাস মদ পানে আমি হাজারো দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হই। অতএব মদ্যপান দোষের কিছু নয়। তার বিবেচনায় মদ্যপান খারাপ কিছু নয় বরং এটি ঔষধ সদৃশ। সেও হয়তো এই কালাম সূত্রের কথা বলতে পারে, তাই বলে তার বিবেচনাকে কি আমরা গ্রহণ করতে পারি? মদ্যপান কি আসলেই উপকারী? এ উদাহরণটি এ কারণেই দিলাম যে, সবাই কালাম সূত্রের নামে বিবেচনা করে গ্রহণ করার কথা বললেও সেই বিবেচনা করার জ্ঞান সবার আছে কী না সেই বিষয়টুকু চিন্তা করার জন্য। বুদ্ধের ধর্মকে বুঝতে হলে বিবেচনা করতে হলে চারি প্রকার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। যেগুলোকে প্রতিসম্ভিদা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ১) অর্থ প্রতিসম্ভিদা- অর্থ বলতে কোনো বিষয়ের বিভিন্ন অর্থকে বুঝায়। হেতু, ভূত, উৎপন্ন, প্রতীয়মান- ইত্যাদির উপর ব্যাপক বিশ্লেষণী যেই প্রজ্ঞা তা-ই অর্থ প্রতিসম্ভিদা। ২) ধর্ম প্রতিসম্ভিদা – কোনো বিষয়ের স্বভাব ধর্মতা সম্পর্কে যথাযথ জ্ঞান ৩) নিরুত্তি প্রতিসম্ভিদা- শ্রবণ বা দর্শন মাত্রই কোনো বিষয়ের উৎপত্তির কারণসহ এটির সত্য/অসত্য, শুদ্ধি/অশুদ্ধি ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক জ্ঞান ৪) পটিভান প্রতিসম্ভিদা- সংক্ষেপে ৮৯ প্রকার চিত্তের জ্ঞানসমূহে জ্ঞান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে বুদ্ধ যেই অর্থে বিবেচনার কথা বলেছেন কালাম সূত্রে, আপনি সেই বিবেচনা করার মতো জ্ঞানের অধিকারী কি না? আপনার উপরোল্লিখিত চারি প্রতিসম্ভিদা জ্ঞান আছে তো? যদি না থাকে তবে কালাম সূত্রের দোহাই দিয়ে আপনার যে বিবেচনা তা পরিপূর্ণরূপে গ্রহণ করা কতটুকু যৌক্তিক?

কয়দিন ধরে দেখা যাচ্ছে, মুক্তমনা নামক এক ব্লকে জাতকের বিভিন্ন বিষয়কে ভিন্ন অর্থে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যেখানে বুদ্ধকে নারী বিদ্বেষী হিসেবে তুলে ধরার অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। এমনকি বুদ্ধ প্রথমবারে নারীদের সংঘে প্রবেশের অনুমতি কেনো দিল না তা নিয়েও কত কি লিখছে। প্রিয় পাঠক, বুদ্ধ মহাজ্ঞানী ছিলেন। তিনি অনেকদূর চিন্তা করেই সবকিছু করতেন। বুদ্ধ কিন্তু কোথাও বলেন নি নারী বলে সে অর্হত্ত্বফল লাভ করতে পারবে না। বুদ্ধের ধর্মের চুড়ান্ত বিষয় যদি হয় নির্বাণ লাভ তবে সেই নির্বাণ কেবল পুরুষরাই লাভ করবে এমন কথা তো বুদ্ধ বলেন নাই। তবে কেন প্রথমে বুদ্ধ রাজী হন নাই? অনেকে অনেকভাবে উত্তর দিতে পারেন। আমি আমার ব্যক্তিগত অভিমত তুলে ধরছি- উপসম্পদা বা ভিক্ষু হওয়ার সময় যে চারটি বিষয়ের কথা বলা হয় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বৃক্ষের নিচে রাত্রি যাপন করতে হবে। কুটির দান পেলে সেটা উপরি পাওনা হিসেবে গণ্য হবে। একজন নারীর পক্ষে সেটা কিন্তু সম্ভব নয়। একজন নারীকে ভিক্ষুণী বানালেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, তার বাসস্থানের চিন্তাও করতে হয়। তৎকালীন সময়ে দেখা যায় শত শত রমণী যে ভিক্ষুণী হতে চাইল তাদের নিরাপত্তা দেওয়া, তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা খুব সহজ বিষয় ছিল না। হয়তো বা (আমার ধারণা) সেসব বিষয় চিন্তা করেই বুদ্ধ প্রথমে রাজী হননি। পরবর্তীতে বুদ্ধ রাজী হলেও ভিক্ষুণীদের যে সবাইকে নিরাপত্তা দিতে পেরেছেন তা কিন্তু নয়। বুদ্ধের সময়েই ভিক্ষুণীর ধর্ষিত হওয়ার ঘটনা পাওয়া যায়। তাই বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে বুদ্ধ হয়তো প্রথমে সম্মত হয় নি। তাই বলে এটাকে নারী বিদ্বেষ বলা যায় না। বরং মাকে ত্রয়ত্রিংস স্বর্গে গিয়ে পর্যন্ত বুদ্ধ কর্তৃক দেশনা করতে দেখা যায়। এখানে মায়ের প্রতি বুদ্ধের যে অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা ছিল তা স্পষ্ট হয়। শুধু তাই নয় পটাচারা, আ¤্রপালীদের বুদ্ধ কোন অবস্থাতেই ঘৃণা করেন নি বরং তাদেরও দেখিয়েছেন মুক্তির পথ। তাই বুদ্ধের নারী বিদ্বেষ প্রচারের নামে যা করা হচ্ছে তা হয় অবিবেচনাপ্রসূত নতুবা ইচ্ছাকৃত।

যত লিখছি তত লিখতে ইচ্ছা হচ্ছে কিন্তু পাঠকের এতো ধৈর্য্য থাকবে বলে মনে হচ্ছে না। তাই সংক্ষেপে বলব বুদ্ধের ধর্ম সাপের ন্যায়। অরিষ্ট নামক জনৈক ভিক্ষু বুদ্ধের ধর্মের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়ায় বুদ্ধ বলেছিলেন- কোন কোন মোঘপুরুষ (মৎকথিত) ধর্ম অধ্যয়ন করে যথা : সূত্র, গেয়, ব্যাকরণ, গাথা, উদান, ইত্যক্তুক, জাতক, অদ্ভুতধর্ম ও বেদল্য। তারা এই ধর্ম অধ্যয়ন করে প্রজ্ঞাদ্বারা এর অর্থ উপপরীক্ষা করে না, ফলে যথাযথ জ্ঞান লাভ তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। উপদিষ্ট ধর্ম যথাযথ গ্রহণ না করে ভিন্ন অর্থ গ্রহণ করায় দীর্ঘকাল অহিত ও দুঃখের কারণ হয়। উদাহরণ দিয়ে বুদ্ধ বুঝিয়ে দিলেন কোন সর্প গবেষক সাপ খুঁজতে গিয়ে বের হয়ে বড় সাপের দেখা পেল। তারপর সেই গবেষক যদি সাপের লেজে কিংবা মধ্যখানে ধরে তবে যে কোন সময় ঐ সাপ উল্টে গিয়ে সেই গবেষককে ছোবল মারতে পারে। সর্প গবেষকের মৃত্যু হতে পারে এই ছোবল খেয়ে। কিন্তু দক্ষ গবেষক লেজ বা পেটে না ধরে যদি গ্রীবা (মাথার নিচে) শক্ত করে ধরে তবে সাপ গবেষককে পেচিয়ে ফেলতে পারে লেজ দিয়ে কিন্তু ছোবল মারার সুযোগ পাবে না।

যে কোন দিন এক ঘন্টা ধ্যানও করে নি ঋদ্ধিলাভ, ¯্রােতাপত্তিফল লাভ কিংবা নির্বাণ লাভ নামক বিষয়গুলো তার কাছে হাসির খোড়াক জোগানো শব্দ হতে পারে তাই বলে তার বিবেচনাকে কিংবা তার মুখের কালাম সুত্রের দোহাই কে তো আমরা গ্রহণ করতে পারি না। তাই প্রিয় পাঠক, বিচলিত না হয়ে চলুন ত্রিপিটক চর্চা করি। তা বিদর্শন অনুশীলনের মাধ্যমে উপপরীক্ষা করি। নতুবা ভাসা ভাসা জ্ঞান নিয়ে সাপ ধরতে গেলে, বুদ্ধের ধর্মের মনগড়া ব্যাখ্যা দিতে গেলে সেই সাপের ছোবল খাওয়ার মতো আমাদের দীর্ঘ অহিত ও দুঃখের কারণ হতে পারে।

চলুন সাবধান হই।

  • লেখক : সরকারী কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ, ঢাকা।
সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

About the Author: Nivvana TV

1 Comment

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!