কেন ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করবেন?

উ পঞ্ঞা চক্ক মহাথেরঃ  বাংলাদেশ কখন উন্নত দেশ হবে জানি না, তবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দিক থেকে বিশ্বে মাথা উচু করে দাড়িঁয়ে আছে আমার প্রিয় মাতৃভূমি- বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি লালন পালন করেছেন, রক্ষা করেছেন এবং সংবিধানে সংযোজন করে সুরক্ষিত করেছেন। সেই কারণেই বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলিষ্ট কন্ঠে বলেছেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার, – -এর অর্থ কি?
যার যার ধর্ম সে পালন করবে,
উৎসব সবাই মিলে উপভোগ করবে।

প্রবারণা পূর্নিমায় ফাঁনুস না উড়ানো—-

যদি এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয় তাহলে অর্থ দাড়াচ্ছে কি??
যার যার ধর্ম, সেই পালন করতে পারছে না, কেননা প্রবারণা পূর্নিমা দিবসে বৌদ্ধরা ফাঁনুস প্রদীপ পূজার মাধ্যমে স্বর্গের চুলামনি জাদী এবং ব্রক্ষলোকের দুচ্ছা পরিভোগ জাদীকে পূজা করে।

★কেন ধর্ম পালনে বাধা সৃষ্টি করবেন??

উৎসব সবার — ফাঁনুস উত্তোলন করলে একটা অপূর্ব পরিবেশ সৃষ্টি হয় যা সব সম্প্রদায়ের মানুষ উপভোগ করে। কেন এটা বন্ধ করবেন??

ফাঁনুস প্রদীপ পূজা বন্ধ করতে চাই একটা কারণেই—–

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট কারী, ষড়যন্ত্রকারী কিছু লোক বাংলাদেশের বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের মাঝে ভয় ভীতির মাধ্যমে আতন্ক সৃষ্টি করছে।

এই ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, সংসদ সদস্যগন, আইন শৃংঙ্খলা বাহিনী, এবং বাংলাদেশের সচেতন জনগনের ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়, যা দেশ বিদেশেও প্রশংসিত হচ্ছে।

হাজার বৎসরের বৌদ্ধিক কৃষ্টি, সংস্কৃতি, আচার অনুষ্টান বন্ধ না করে আসুন আমরা সম্মিলিত হয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করি।
৫ই অষ্টোবর প্রবারণা পূর্নিমা অনুষ্ঠান সুষ্টভাবে সম্পন্ন করার জন্য ——

(১) প্রধানমন্ত্রীর নিকট যোগাযোগ কিংবা আবেদন করি।

(২) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ধর্মমন্ত্রীর সংগে সাক্ষাৎ করি।

(৩) সম্মানিত সংসদ সদস্য, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (U.N.O) এবং ত্তসির নিকট নিরাপত্তার জন্য অাবেদন করি।

(৪) সাবধানতার জন্য যে সমস্ত বিহার জন বসতিতে, তাঁরা খোলা মাঠে অর্থাৎ নিরাপদ স্থান থেকে ফাঁনুস উত্তোলন করুন।

(৫) তারপরও আপনার বিহার থেকে ফাঁনুস উত্তোলন নিরাপদ মনে না করলে, আপনি বিরত থাকুন কিন্তু পুরো বৌদ্ধ জাতিকে ফাঁনুস উত্তোলনে নিষেধ করবেন না ।

মনে রাখবেন সরকার এবং প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রবারণা পূর্নিমা পালন করলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টকারী, ষড়যন্ত্রকারীদের ষড়যন্ত্র বিনাশ হবে।

ফাঁনুস উড়ানো না হলে, সরকার বিব্রতকর অবস্থায় পরবে, ষড়যন্ত্রকারীদের সাহস বৃদ্ধি পাবে এবং ষড়যন্ত্রকারীরা ভয়ংকর হবে।

বি.দৃ :: রোহিঙ্গাদেরকে মানবিক সাহায্য এর মধ্যেই বিভিন্ন বিহার থেকে প্রদান করা হয়েছে। সম্মিলিত বৌদ্ধ সমাজ রোহিঙ্গাদেরকে আরো মানবিক সাহায্য আপনারা কিভাবে দিতে চান?? বাংলাদেশের বৌদ্ধ জনসাধারণকে অবিহিত করুণ, নিশ্চিত সবাই এগিয়ে আসবে কিন্তু প্রবারণা পূর্নিমায় ফাঁনুস উত্তোলন বন্ধ করে নয়।

সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!