কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলায় পুলিশি টহল জোরদার

পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সংঘষের কারণে দেশে এনিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার পাশাপাশি কক্সবাজারের চকরিয়া-পেকুয়া উপজেলাতেও কম-বেশি উত্তেজনা বিরাজের খচর পাওয়া গেছে। তারই জের ধরে দু’উপজেলার ২৩টি বৌদ্ধপল্লীর নিরাপত্তায় পুলিশি টহল বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দৈনিক আমাদের সময় পত্রিকা।

আজ অনলাইন ভার্সনে প্রকাশিত তথ্যনুসন্ধানী এক প্রতিবেদনে পেকুয়া উপজেলা বারবাকিয়া রাখাইন পল্লীর সভাপতি থোইং সিং রাখাইন জানিয়েছেন, আমরা এখানে হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ খৃষ্টান একসঙ্গে সব পুজা-পার্বন করে থাকি। আশা করি তেমন কোন সমস্যা হবে না। পুলিশ এব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

চকরিয়া উপজেলা ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাষ্টের ট্রাস্ট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্টির প্রতিনিধি মাষ্টার মংয়াই রাখাইন সংবাদ সূত্রকে জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে পার্শ্ববর্তী দেশ মিয়ানমারের ঘটনায় এলাকার বৌদ্ধরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন আছে। প্রশাসন সেই উদ্বিগ্নতা দুর করেছে। মন্দির ও বিহারগুলোতে পুলিশি টহল বাড়িয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারও সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।

তেমন কোন সমস্যা আশা করেন মাষ্টার মংয়াই রাখাইন।

সংবাদ সূত্র জানিয়েছে চকরিয়া উপজেলায় ১১টি মন্দির ও ১১টি বিহার এবং পেকুয়ায় ১টি বৌদ্ধ বিহার রয়েছে। এরমধ্যে চকরিয়ার হারবাংয়ে ৫টি বড়ূয়াদের মন্দির ও ৫টি বৌদ্ধ বিহার, সুরাজপুর-মানিকপুরে বড়ূয়াদের ২টি মন্দির ও ৪টি বৌদ্ধ বিহার, বমুবিলছড়িতে বড়ূয়াদের ২টি মন্দির ও রাখাইনদের একটি বৌদ্ধ বিহার এবং ফাঁসিয়াখালীতে একটি বড়ূয়াদের মন্দির রয়েছে। চকরিয়া পৌরসভার বুড়িপুকুরে বড়ূয়াদের একটি মন্দির ও মগবাজারে রাখাইনদের একটি বৌদ্ধ বিহার রয়েছে।

সামাজিক মাধ্যম ফেইসবুকে থেকে এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

Ads

Recommended For You

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

error: Content is protected !!